FILM REVIEW-LOVE CHOTURDOSHI

শর্ট ফিল্ম -লভ চতুদর্শী
পরিচালক -মন্দার ব্যানার্জী
কলাকুশলী – আরিয়ান ভৌমিক, প্রত্যুষা পাল, জিস্যা পাল, উপলা দত্ত, বাপি দাস, অর্চিষ্মান মিত্র,  অনিন্দিতা দত্ত।
রেটিং-3. 5/5


ইক্যুইনক্স ফিল্মস্ নিবেদিত একটি স্বল্পদৈর্ঘ্যের বাংলা চলচ্চিত্র লভ চতুর্দশী পরিচালক মন্দার ব্যানার্জীর এক অসাধারণ ও ক্রমশ প্রকাশ্য প্রেমকাহিনী নিয়ে তৈরি করেছেন ছবিটি। যেখানে একটি মেয়ে ঝিন্টির(প্রত্যুষা পাল)শিলাদিত্য(আরিয়ান ভৌমিক) নামে একটি সহপাঠীর প্রতি দুর্বলতার সৃষ্টি হয়। সে তার বান্ধবীদেরও ব্যাপারটি জানায়। এ বিষয়ে শিলাদিত্যর প্রতিক্রিয়া প্রকাশ পায়নি।

ভালোবাসার দিন 14ই ফেব্রুয়ারী যেদিন ঝিন্টি মনে আশা নিয়ে টিউশন পড়তে আসে।কিন্তু সেদিনও টিউশন শেষে শিলাদিত্যর কোনো প্রতিক্রিয়া না পেয়ে সে নিরাশায় চলে যেতে থাকে ।তার বান্ধবীরা তাকে একটু সান্ত্বনা দিয়ে একে একে চলে যায় তাদের জীবনের ভালোবাসার মানুষটির সাথে দেখা করতে।হঠাত্ই কিছুদূর এগোনোর পরে ঝিন্টি যেদিকেই তাকায় সেদিকেই শিলাদিত্যর প্রতিচ্ছবি দেখতে পায়।কিন্তু আসলে সেটি ঝিন্টির চোখের ভুল।অবশেষে ঝিন্টি হতাশাগ্রস্ত হয়ে বাড়ির সামনে পৌছায় ঠিক তখনই সে দেখতে পায় শিলাদিত্যকে।শিলাদিত্য ঝিন্টির মাকে তার ঝিন্টির প্রতি ভালোবাসার কথা জানায় এবং শেষমেশ তাদের মিল হয়।


শেষ দৃশ্যে শিলাদিত্য ঝিন্টির মাকে তাঁদের ভালোবাসার বিষয়টি এমনভাবে উপলব্ধি করিয়েছে, যে কথাগুলি শুনে তার মা তাদের সম্পর্কটিকে মেনে নিতে বাধ্য হয়েছে।এই জায়গাটির সংলাপ বা দৃশ্যটি মন্দার খুব গভীরভাবে চিন্তা করেছেন।ফলে ছবিটি তার প্রাপ্য প্রতিবার্তা পেতে সফল হয়েছে।মাস্টারমশাই থেকে শুরু করে ঝিন্টির বান্ধবীরা পর্যন্ত প্রতিটি কলাকুশলীরা খুবই দখ্খতার সাথে অভিনয় করেছে বলেই চরিত্রগুলি তার পূর্ণ রূপ পেয়েছে।কিছু দৃশ্যে সাদা-কালো লোকচিত্রের প্রতিফলন ছবিটির দৃশ্যগুলিকে আরো আকর্ষিত করে তুলেছে দর্শকদের কাছে। ক্যামেরার কাজের ওপরেও জোড় দিয়েছেন পরিচালক।এমনকী ছবিটিতে জিশার গলায় একটি অদ্ভুত সুন্দর গান ‘ফিরে এসো’ ছবিটির কাহিনীকে যথাযথভাবে ফুটিয়ে তুলেছে।

-মৌমিতা দাস

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *